গর্তে পাওয়া তিন মরদেহের পরিচয় মিলেছে
প্রায় ছয় বছর আগে আলী হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয় আমেনার। গত বৃহস্পতিবার গার্মেন্টসে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন আমেনা। এরপর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, দুই শিশু সন্তানসহ স্ত্রীকে হত্যার পর নির্জন স্থানে পুঁতে রেখে আলী হোসেন পালিয়ে যান।
বাংলাদেশ
প্রতিনিধি 2024-05-22
ময়মনসিংহের ত্রিশালে গর্ত খুঁড়ে উদ্ধার হওয়া নারী ও দুই শিশুর মরদেহের পরিচয় মিলেছে। তারা হলেন- মা আমেনা বেগম (৩০) এবং তাঁর দুই ছেলে আবু বক্কর (৪) ও আনাস (২)।
মঙ্গলবার (২১ মে) রাতে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ। এর আগে, দুপুরে তিনজনের পুঁতে রাখা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আমেনা বেগম উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের কাকচর নয়াপাড়া গ্রামের আলী হোসেনের স্ত্রী। এ ঘটনার পর থেকে আলী হোসেন পলাতক।
পুলিশ সূত্র জানায়, প্রায় ছয় বছর আগে আলী হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয় আমেনার। গত বৃহস্পতিবার গার্মেন্টসে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন আমেনা। এরপর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, দুই শিশু সন্তানসহ স্ত্রীকে হত্যার পর নির্জন স্থানে পুঁতে রেখে আলী হোসেন পালিয়ে যান।
ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, আলী হোসেনকে গ্রেপ্তারের পর বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ মে) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের কাকচর নয়াপাড়া গ্রামে একটি নির্জন স্থানে শিয়ালের টানাহেঁচড়ায় এক নারী ও দুই শিশুকে মাটি খুড়ে পুঁতে রাখার ঘটনার সন্ধান পায় এলাকাবাসী। এ ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে।
বাংলাদেশ জার্নাল/ওএফ
(operate(i,s,o,g,r,a,m))(window,doc,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘ship’, ‘pageview’);
(operate(i,s,o,g,r,a,m))(window,doc,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘ship’, ‘pageview’);
_atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, area:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(operate() { var as = doc.createElement(‘script’); as.sort=”textual content/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = doc.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();